সাধারণত আমার এই গ্রুপে অনেকেই প্রায় ঢুকেই একই প্রশ্ন ঘুরিয়ে ফিরিয়ে করে থেকে সেগুলি হল -
1. আমি তন্ত্র শিখতে চাই , কি ভাবে ও কোথায় গেলে শিখতে পারবো ?
2. আরেকটি প্রশ্ন এটিও থাকে যে , কথায় গেলে ভালো গুরুর সন্ধান পাবো ?
চলুন এর বিষয় আলোকপাত করা শুরু করা যাক -
প্রথমেই, বলে রাখি সকলকেই যে- আমি তন্ত্র শিখতে চাই শুধু এই আগ্রহ বা ইচ্ছা যথেষ্ট নয় সঠিক তন্ত্র জ্ঞান লাভ ও গুরু প্রাপ্তি এর জন্য । এর কারণ হলো তন্ত্র হলো একটি দুই ধারী তলোয়ারের মতন এর একটি ইতিবাচক দিক যেমন আছে তেমনি নেতিবাচক দিক ও আছে।
বর্তমানে ইন্টারনেট বা ইউটিউব এর দৌলতে যা সাধনা ক্রিয়া কর্ম দেখে বা শুনে বেশিরভাগ ব্যক্তিরা তন্ত্র শাস্ত্রে আগ্রহ দেখায় তাদের এটা বুঝতে হবে যে সেই সমস্ত বিষয় গুলি কন্টেন্ট হিসাবে ঠিক আছে কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সেগুলি হল তন্ত্রের নেতিবাচক দিক , কারণ প্রকৃত সাধনা এতটাও জল ভাত নয় যে চাইলেই পয়া যাবে।
দ্বিতীয়ত, যেমনটা এই গ্রুপের এডমিন প্রায় বলে থাকেন যে , তন্ত্র এর বেসিক আগে ক্লিয়ার হতে হবে , আপনার কাছে তন্ত্র এর মানে কি , এবং প্রকৃতপক্ষে তন্ত্রের মানে কি সেটা বুঝে নিতে হবে ,
যেমন ধরুন অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় যে লোকে তন্ত্র শিখতে আগ্রহী হন কারণ তাদের ধরনা তন্ত্র শিখলেই তিনি কোনো অলৌকিক শক্তিবলে তার সব সমস্যা সমাধান করে ফেলবেন , কিন্তু সেটা তো তন্ত্রের মূল উদ্দেশ্য নয় তাই না ।
তৃতীয়ত, সকলেই তন্ত্র শিখতে পারবে না , হ্যা এটাই সত্যি । যদিও শাস্ত্রে বলা আছে যে তন্ত্রে সকলের অধিকার আছে কিন্তু তার মানে এই না যে সকলেই সব পেরে উঠবে, কথাটার সোজা সাপটা মানে এই যে সবাই এর জন্য তন্ত্রের দ্বার খোলা কিন্তু পারবে সেই জার মধ্যে তন্ত্র শেখার গুন বা যোগ্যতা গুলি বর্তমান আছে ।
এবার আসি গুরু প্রাপ্তি ও গুরু করন প্রসঙ্গে ----
সবার আগে বলে রাখি তন্ত্রে গুরু করন বাধ্যতামূলক, যারা ওই ইউটিউব এ বলছে যে , অমুক কে গুরু ভেবে বা তমুক কে মনে মনে গুরু ধরে নিয়ে আপনি সাধনা শুরু করুন তাদের কথবার্তায় গুরত্ব দেওয়া যাবে না । আমার ধারণা যারা এমন বলে থাকে তাদের ৩ পুরুষে কেউ তন্ত্র সাধনা করে নি ,তন্ত্রে গুরু করন বাধ্যতামূলক , গুরু বিনা এগোনো সম্ভব নয় ।
এই প্রসঙ্গে এটাও বলে রাখি , একটা প্রশ্ন গ্রুপে রাখা হয়েছিল যে সৎ গুরু বা গুরু প্রাপ্তির জন্য গুরু গীতা জ্ঞান আবশ্যক কিনা । এই সমন্ধে আমার কি মত সেটাও বলে রাখি ----
আমার মত গুরু গীতা জ্ঞান আবশ্যক , কারণ এটাই আত্ম তত্ত্বের মূল ভীত আর শাস্ত্র বলে আত্ম তত্ত্ব জ্ঞান লাভ না হলে কোনো তত্ত্ব জ্ঞান লাভ সহজ হয় না , ইনফ্যাক্ট হয় না । তাই গুরু গীতা পড়তে ও জানতে হবে । তবে তার মানে এই নয় যে গুরু গীতা পড়লেই সৎ গুরু এক্ষুনি এক্ষুনি পাওয়া যাবে , গুরু গীতা না পড়লেও পূর্ব কৃতকর্মের ফল স্বরূপ ও গুরু ও মন্ত্র পেতেই পারেন তবে গুরু গীতা পরলে আপনি গুরুর মাহাত্ম্য ও গুরুর মধ্যে কি কি লক্ষণ দেখা বাঞ্ছনীয় ( গুরু করণের পূর্বে ) টা বুঝতে পারবেন এই হলো ব্যাপার , তাছাড়া গুরু করন ভালো ভাবে করা যাবে ।
সৎ গুরুর লক্ষণ সমূহ
দেখুন সৎ গুরুর বহু লক্ষণ শাস্ত্রে দেওয়া আছে কিন্তু আমি এখানে সেসব লক্ষণ বলব না , কারণ আপনারা জানেন যে আমি কিতাব এর জ্ঞান মারি না , যা আমি ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন সাধক , aghori , নাগা নির্বাণই পরম্পরায় ও আমার কানিফনাথ পরম্পরায় যা শিখেছি তাই বলব ।
নাগা নির্বানি পরম্পরায় (আমার তন্ত্র পরম্পরা) গুরুর লক্ষণ সমন্ধে যে ধরনা প্রচলিত টা হল -
" যে সাধক অবিচল স্থির চিত্ত বিষয় বাসনা দ্বারা খুব একটা প্রভাবিত নয় , আগমক্ত বিধি এর প্রকৃত জ্ঞতা এবং নিত্য কর্ম নিমিত্ত কর্ম ও যার সদাই সদিচ্ছা বর্তমান , ও কাম্য বা ফল প্রাপ্তি কর্মে জার খুব একটা আগ্রহ নাই এবং যে নিজে গুরু নির্দেশিত মার্গের প্রচারক ধারক ও বাহক সেই সাধক গুরু হওয়ার যোগ্য "
( অনেকেই যারা অলরেডী তান্ত্রিক বা অঘরী তারা শক্তভিশেক , সম্রজাভিশেক এসব বিষয় বলবেন আমি জানি , তবে যারা শুরুতে আগ্রহ দেখাচ্ছে তন্ত্রে তারা এসব ঠিক বুঝবে না ভেবেই এসব টার্ম ইউজ করলাম না শুধু আগম বিধি এর জ্ঞাতা বলে ছাড়লাম okk )
এবার বৈষ্ণব madhyacharya সম্প্রদায় নিত্যানন্দ পরিবার পরম্পরা ( আমার পরিবার এর বেশ কিছু মেম্বার এই পরম্পরা এর অন্তর্গত ) এ কি ধারনা গুরু সমন্ধে সেটাও বলে রাখি ---
"সর্বদা কৃষ্ণ নাম জপ তৎপর ভাব ভক্তি সম্পন্ন এবং ভাগবত নিয়মের সম্পূর্ন জ্ঞানী , ভাগবত তত্ত্ব প্রচারে ব্রতী , কামনা কে দমন পূর্বক নিশ্চল চিত্তে যে ব্যক্তি জগৎ কে উদ্ধারের জন্য হরিনাম দান ও ঈশ্বর ও গুরু ও ভাগবতে নিবেদিত প্রাণ এমন ব্যাক্তি গুরু হওয়া সম্ভব "
এবার আসি আমার নাথ পরম্পরা তে গুরু এর লক্ষণ সমন্ধে কি ধরনা প্রচলিত ---
" ভয় দ্বেষ আবেগ শুন্য, অবধুত ভাব সম্পন্ন , সংসারী নয় বা সংসারী হলেও সংসারের অংশ নয় এমন , চিত্ত বিক্ষেপ কে দমন করি , হঠ এবং ক্রিয়া তন্ত্র গত অন্তর হোম অন্তর যোগ্য তে parodorshi তাকেই গুরু বলা চলে ।
দেখুন চিতা সাধন মানেই চিতায় বসা নয় আর হোম মানেই ওই কুন্ড সাজিয়ে বসে নয় , শরীরের অভ্যন্তরে অন্ত ক্রিয়া তে শরীরের অভ্যন্তরে অন্তর পূজা ,হোম , চিতা সাধন সব করার বিধি আছে , সেসব উচ্চ স্তরের অঘোর এর জন্য তারাই গুরু তুল্য বা গুরু মান্য ( এই বিষয় আমাকে আলাদা করে জিজ্ঞাসা করবেন না কি করে করে , অন্তর যোগ্য বা অন্তর হোম বা ক্রিয়া যোগক্ত আন্তরিক চিতা সাধন আমি জানলে এই ফেসবুক e পরে থাকতাম না )
অবশেষে আমার ব্যক্তিগত মত টা বলি
(আমার ধারণা এটাই আপনাদের কাজে লাগবে বেশি ) এবং প্রচলিত ধারণা কেনো বললাম শাস্ত্র থেকে উধৃতি তুলে তুলে অন্য জ্ঞানী দের মতন কেনো বললাম না সেটাও বলি
কারণ বিভিন্ন পরম্পরায় বিভিন্ন মত প্রচলিত যেগুলি শাস্ত্র এর ই অংশ মাত্র তবে যেটা আগে বললাম যে শাস্ত্র তে যে বিশাল বিপুল গুণাবলী একজন প্রকৃত গুরু বা ভালো যোগ্য সাধকের দেওয়া আছে -
1. সেগুলি বাইরে থেকে দেখে বা অবজার্ভ করে বোঝা সম্ভব নয়
2. এত গুণাবলী আজেকের দিনে সব সাধকের মধ্যে নাও থাকতে পারে
3. তাছাড়া সব গুণাবলী মেলাতে মেলাতে যে সময় যাবে তাতে আপনি সাধন শুরু করলে অনেক এগিয়ে যেতে পারবেন ।
কাজেই আমার মতে আজকের দিনে দাড়িয়ে গুরু করণের আগে যা দেখবেন সেটা নিচে বর্ণনা করে দিলাম ( এগুলি আমি ফলো করতাম অখনো করি, আর আগেই বলেছি বহু আর্টিকেল e আপনাদের যে আজ পর্যন্ত যা গুরু আমি পেয়েছি অনেকেই সেরকম খুজে চলেছেন নিত্য দিন )
A। বাহ্যিক বিষয় যা লক্ষণীয় ---
1. তার মধ্যে টাকার লোভ আছে নাকি বা টাকার বিনিময় সে বিদ্যা প্রদান করছে কিনা (দক্ষিণা বলি নাই , গুরু দক্ষিণা আলাদা বিষয়, সেটা demandable নয়) , যদি ডিমান্ড করে তো যাওয়ায় যাবে না ।
2. যেনাকে গুরু করবেন ভাবছেন তার নিজ গুরুর প্রতি গুরুনিষ্টা ও ইষ্ট নিষ্ঠা দেখবেন আছে কিনা ।
3. অধিক অধিক চেলা করার প্রবণতা আছে কিনা দেখবেন ( আমাদের নাথ পরমপরা বা অঘোর পরম্পরা তে এটা আগে ছিল না অনেক লিমিটেড ছিল আখন ফ্যাশন হয়ে গেছে )
( এই পয়েন্ট টা কিন্তু ভাগবত বা বৈষ্ণব গুরু করলে তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় , কারণ ভাগবত গুহ্য বিষয় নয় , প্রভু বাসুদেব কৃষ্ণ স্বয়ং বেশি বেশি নাম প্রচার ও নাম দান করতে বলেছেন )
4. তার এজগতের সকল জীবের প্রতি যেমন কুকুর বিড়াল বা অন্যান্য প্রাণীদের প্রতি তার মনোভাব কেমন সেটাও দেখবেন
5. সমাজের জন্য, ঈশ্বরের অনবদ্য সৃষ্টি এর জন্য কিছু contribution কি দিচ্ছেন ? বিনা স্বার্থে কিছু করছেন কিনা সেটাও দেখুন ।
আগে একটি আর্টিকেল এ যটাধারী বাবার আমাকে যে জ্ঞান গুলি দিয়েছিলেন তার ছবি সহকারে লিখেছিলাম মনে আছে ,তাতে বলেছিলাম যে উনি বলেছেন - "ভগবান কে শুধু তার পূজা পাঠ দ্বারা প্রসন্ন করা যায় না , ভগবান কে প্রসন্ন করতে তার ভক্তদের সেবা ও জীব সেবা ও করতে হয় "।
6. দীক্ষা চট জলদি না নিয়ে কিছুদিন সঙ্গে কাটিয়ে দেখুন যদি সম্ভব হয় , যে ভিতর থেকে আবার আমোদ প্রিয় আরমবর প্রিয় এবং বাইরে থেকে অন্যেরোকম লাগছে না তো ।
B। আন্তরিক বিষয়সমূহ যা লক্ষণীয় --
মূলত কোনো সাধকের আন্তরিক বিষয়গুলি বাইরে থেকে বোঝা সম্ভব নয় অত সহজে , অনেক ক্ষেত্রে উল্টো ধারণা হতে পারে,
একটি উদাহরণ দি আপনাদের বোঝার জন্য - আমার এক অঘোর শিক্ষা গুরু আছেন, তিনি ত্যাগী এবং নিত্য মুক্ত অবধূত ভাবাপন্ন , বাইরে থেকে পাক্কা ক্ষ্যাপা বদ্ধ পাগল লাগবে দেখলেই , কখনো ল্যাঙট পড়েন কখনো পড়েন না, কারণ always samshan এ থাকেন । মধ্য প্রদেশের কাটনি নামক স্থানে ওনার এক পুরনো শিষ্য এক পূজা অনুষ্ঠান আয়োজন করে আমাদের ইনভাইট করেন , আমি মা কে নিয়ে গেলাম যথারতি , মা তো গম্ভীর শান্ত গোস্বামী জি কে দেখে অভ্যস্ত , সেখানে একজন হা হা করে কথায় কোথায় হাসছে , আমার মা বাপ উদ্ধার করে দিচ্ছে , একে ওকে কোলকে ছুড়ে মারছে এসব দেখে মা এতটাই বিরক্ত হতে লাগলো যে থাকা দুষ্কর হয়ে উঠল । মায়ের একদম পছন্দ হয় না পারলে গালি দিয়ে দেই । কিন্তু আসলে উনি প্রকৃত অবধূত ওনার মতন হওয়া টাও সৌভাগ্যের ব্যাপার ।
বলতে চাইছি এটাই যে -
কোনো সাধক কে আন্তরিক গুন বুঝে নিতে ওই পাঁচ ইন্দ্রিয় দের উপর নির্ভর করলে কিন্তু চলবে না , ভাবনা দ্বারা অন্তর দিয়ে বোঝার চেষ্টা করতে হবে যে -
1. তার সামনে গেলে না চাইতেও আপনার নিজে থেকে ভক্তি আসছে কি ?
2. তার শিষ্য বা ভক্ত দের মধ্যে তার ভক্তিভাব বা যে ভাবের ভবি তিনি সেটা অনায়াসে প্রসারিত হচ্ছে কি ?
3. কোনো কিছু প্রাপ্তির (সিদ্ধি, মন্ত্র ,তন্ত্র , যন্ত্র ইত্যাদি ) লোভ ছাড়াই তার কাছে দীক্ষা নিতে মন টানছে কি ? আমি আমার জীবনে এমন অনেক শিক্ষাগুরু পেয়েছে যারা তাড়িয়ে দিয়েছন শুরুতে অনেক কষ্ট করে পরে কিছু জ্ঞান পেয়েছি ।
সৎ গুরু প্রাপ্তির জন্য প্রয়োজনীয় তিনটি গুন -
1. সৎ চিন্তা
2. সৎ কর্ম
3. সৎ উদ্দেশ্য
এই তিনটি না থাকলে যতই আপনি লাফান ঝাপান করুন সৎ গুরু পাবেন না , এর কারণ হলো এই যে - আপনি নিজেই সৎ পথের মধ্যে নাই তাই সৎ গুরু পেলেও তাকে ভুল ও মহ বশত ত্যাগ করবেন বা ভাববেন যে ইনি সঠিক নয় ইনি সৎ নয় তাই পরমাত্মা বাসুদেব শ্রী কৃষ্ণ বলুন বা ভাগ্বতী আদ্যাশক্তি বলুন কেউ এবিষয় হেল্প করবেন না ।
এবার অনেকেই বলবেন যে অনেকে ত শুধু ব্যবসায়িক স্বার্থ নিয়ে গুরু প্রাপ্ত হচ্ছে এবং বিভিন্ন বান বিদ্যা , চালান বিদ্যা এসব বা বশীকরণ ইত্যাদি শিখে নিয়ে দিব্যি চলছে । কি এটাই ভাবছেন তো ??
এক্ষেত্রে বলে রাখি ,
1. এরাই সবথেকে বেশি প্রতারিত হন , কারণ এরা স্বার্থ সিদ্ধির জন্য গুরু করছেন ,
2. কৃপা লাভের জন্য নয় ,স্বার্থ তো পয়সা দিয়েই লাভ করা যায় কিন্তু গুরু নয় , সেটা মাতারানি ও জানেন তাই এরা যা পায় তাতে এদের নিজেরই satisfaction আসে না
3. এই স্যাটিসফাই না হওয়ায় আজ এই গুরু কাল গুরু বদলে বদলে শেষে নিজেরাই confusion এ পরে যায় , কারণ যত মত তত পথ ।
তাই যারা নতুন শিখতে চাইছেন তারা এই ভুল গুলি করবেন না ।
একটা মেজর ভুল যেটা আমি অনেককে করতে দেখেছি --
একজন আদর্শ গুরু সর্বদায় পক্ষপাত শুন্য হন , অর্থাৎ তিনি কোনো শিষ্য দের কম বা বেশি গুরত্ব দেন না বা কম বেশি ভালোবাসেন না তবুও অনেকে দীক্ষা নেওয়ার পর এটা মনে করেন যে - গুরুজী ওকে এত কিছু দিচ্ছে বা শিখাচ্ছে কিন্তু আমাকে দিচ্ছে না মানে উনি partiality করছে উনি ভেদ ভাব করছেন , এই কারণে অনেকে গুরু ত্যাগ করার পাপ তন্ত্রের জগতে করে ফেলে নতুন হলে , কিন্তু এই ধারণা ঠিক নয় , একজন গুরু সর্বদায় মেপে ঝোপে দেবেন এটাই নিয়ম তিনি কখনোই সবাইকে সব দিয়ে দেবেন নে , যোগ্যতা এবং ধারণ ক্ষমতা বুঝে তিনি দেবেন । কিন্তু নবাগত শিষ্য হয়ে যখন বিচার করি তখন এটাই আমাদের partiality লাগে , তাই আমরা তাকে ভুল বুঝি । এইটা যেনো না হয় তার দিকে দৃষ্টি রাখতে হবে ।
আশাকরি প্রকৃত গুরু পাওয়ার o তন্ত্র শেখার জন্য যা যা বিষয় করণীয় মোটামুটি লিখে দিয়েছি আমি এখানে , এরপর গ্রুপে যদি কেউ প্রশ্ন করে আপনারা দয়া করে এটা তাকে ফরওয়ার্ড করে দেবেন বা লিংক দিয়ে দিতে পারেন ।বা আপনার চেনা কেউ যদি শিখতে চায় তাকে শেয়ার করতে পারেন যাতে তার একটু আইডিয়া হয়ে যায় , কারণ আজকাল সবাই ইউটিউব দেখে ফ্যাশন এও তান্ত্রিক হতে চাই তাড়াতাড়ি ফেমাস হতে , তাদের এতটুকু বোঝতে লাগে তাই না ??




