জটাধারি বাবার দেওয়া কিছু সাধারণ তথা আনমোল জ্ঞান আপনাদের জন্য, যা সাধন মর্গে এগিয়ে যেতে মোটিভেট করবে ও সৎ বুদ্ধি দেবে ।
যার নাম পশুপতি, যে সকল প্রাণীদের অধিপতি , সে কি শুধু সাধনায় তৃপ্ত হবে রে , তোকে সাধনার আগে তার ভক্ত ও তার সৃষ্টি এর প্রতি সেবা ভাব দেখতে হবে ।
শুধু কঠোর পরিশ্রম দ্বারা ধর্ম আচরন করলেই সাধনা এ সিদ্ধি লাভ করা যায় না , কিন্তু শুধু গুরু ভক্তি আর ইষ্ট ভক্তি দ্বারা বিনা কঠোর পরিশ্রম করেও সিদ্ধি লাভ করা যায় ।
এমন কিছুই নাই যা ভগবান/ভগবতীর অসাধ্য , তুই তাহলে তার ভক্ত হতে চাইলে নিজের সব অসাধ্য অসম্ভব শব্দ বাড়িতে রেখে আস্তে হবে ।
তোর মা কৃপা পেলেও তুই পাবি না , কারণ তোর মধ্যে ভেদবুদ্ধি কাজ করে , আর ভেদ বুদ্ধি থাকলে কৃপা পাওয়া যায় না , কারণ ভগবান / ভগবতী কেউ ভেদাভেদ করেন না ।
শোন সাধনা এ কোনো ভুল এর জায়গা নেই , সাধক অন্যের জন্য নিজেকে এক ফলক হিসাবে তৈরি করবে , তার ভুল হলে তো বাকি রাও সেই ভুল কেই স্মরণ করবে। বুঝলি , তাই আগে নিজের ভুল সংশোধন করা শুরু কর এটাই প্রাথমিক সাধনা।
সাধক দুই ধরেনের হয় এক যারা সকলকে চমৎকার দেখতে চায় আর দ্বিতীয় যারা সত্যি চমৎকার করতে পারে ।তুই প্রথম শ্রেণী তে পরিস তাই আমি তোকে কিছু শেখাব
না ।
ঈশ্বর কে না চাইলেও ঈশ্বর যা আমাদের দেন সেটাই জীবনের প্রকৃত প্রসাদ তাকে সাদরে গ্রহন করে নেওয়া উচিত ।
শুধরানোর তিন টি পদ্ধতি আছে , একটা ভালোবেসে আদর করে , দ্বিতীয় টা ছড়ি দিয়ে মেরে এর তাতেও না হলে চাবুক দিয়ে মেরে । ভক্ত দের ভগবান ভালোবেসে শুধরে দেন , আস্তিক দের ভগবান খারাপ সময় দিয়ে শুধরে নেন , আর নাস্তিক আর পাপী দের জন্য তিনি ধরেন নিয়তির চাবুক ।
যা খেটে পাবি তাকে তোর কর্ম ফল ভাববি এর যা না খেটে পাবি তাকে তুই ভগবানের দেওয়া প্রসাদ ভাববি ।
ভুক্তি মুক্তি প্রদায়নি শব্দের অর্থ এই নয় যে কেউ ভোগ o করে যাবে আবার মুক্তি ও পা


