গুরুমুখি ক্ষেত্রপাল প্রয়োগ বিধী by Jyotishraj Suvrajit

Jyotishraj Suvrajit Singha
0

এর আগের আর্টিকেল এ ক্ষেত্রপাল এর সমন্ধে ও তার বৈশিষ্ট্য সমন্ধে বলেছিলাম ,আর পরের আরটিকেল এ একটা সহজ বিধি দেবো বলেছিলাম যা সকলেই করতে পারবে তাই আজ সেটা বলে দিচ্ছি 


যারা আগের আর্টিকেল টা পড়েন নাই এই গ্রুপ এই আছে আগে ওটা পরে নেবেন ।


এই ক্ষেত্রপাল উতারা ক্রিয়া টি আমি এক গারওয়াল শাবর মন্ত্র সাধক এর থেকে পেয়েছিলাম , অনলাইন পোর্টাল এ বহু ক্লায়েন্ট দের consultation এর পর প্রয়োজন অনুযায়ী দিয়েছি তারা লাভ ও পেয়েছেন , আপনারা ও বিশ্বাস সহকারে করে দেখতে পারেন ।


এই ক্রিয়া টা যে কেউ করতে পারে , এর জন্য বড় তান্ত্রিক হওয়ার প্রয়োজন নেই ।





ক্ষেত্রপাল উতারা ক্রিয়া বিধি -


সামগ্রী - ১. কাচা দুধ  

             ২. জল  

             ৩. ব্যাসন (byason) এর লাড্ডু

             ৪. ব্যাসন (byason) এর বানানো বড়া 

             ৫. পাতা (যাতে করে দেবে এগুলি )


ক্রিয়ার দিন - শনিবার সন্ধ্যা বেলা / মঙ্গল বার সন্ধ্যা বেলা

                     (আমাবস্যা বা ভুত চতুর্দশী হলেo ভালো হয়)।


আহার - যার উপর উতারা বা ঝারা দেয়া হবে সে চাইলে নিরামিষ খেতে পারে , কিন্তু যে করবে সে উপোশ থাকবে ক্রিয়া করা পর্যন্ত ।


নিয়ম - প্রথমে একটি পাতা নিয়ে তাতে উক্ত সামগ্রী ব্যাসন (byason) এর লাড্ডু ও ব্যাসন (byason) এর বানানো বড়া রেখে দেবে তারপর , কাচা দুধ এ জল মিশিয়ে নেবে ( এটাকে কাচ্চি লস্যি বলে ক্ষেত্রপাল দেবতা কে সাত্বীক মতে বা সংসারী ব্যাক্তি রা উক্ত নিয়মেই দেবেন ) এই লস্যি একটি গ্লাসে ঢেলে নিতে হবে । 


এরপর যে ব্যাক্তি পীড়িত হয়ে আছে তার মাথার উপর থেকে ঘুরিয়ে নিতে হবে এবং মাথা থেকে পা পর্যন্ত ও ঘুরিয়ে নিতে হব , বা যে ঘরে আপদ বালাই লেগে আছে সেই ঘরের সর্ব স্থানে দিয়ালে এই সামগ্রী স্পর্শ করিয়ে ঘুরতে হবে এবং সর্ব শেষে এই সামগ্রী গুলি উতারা হয়ে গেলেই তৎক্ষণাৎ নিয়ে বাইরে চলে যেতে হবে ।


এরপর আপনাকে একটা খেজুর গাছ খুঁজতে হবে , তারপর সেই খেজুর গাছের গোড়ায় আপনাকে উক্ত সামগ্রী গুলি দিতে হবে ও ক্ষেত্রপাল বাবার নাম স্মরণ করে নিজের বিপদ বা বালা এর কথা ও তার থেকে মুক্তির প্রার্থনা করতে হবে , মনে রাখবেন দীনে না করে সন্ধ্যায় বা একটু রাতে করলে ভালো হবে । প্রার্থনা শেষ হলে আপনি পিছনে না তাকিয়ে , ফোন বা কারুর সাথে কথা না বলে সোজা ঘরে ফিরে আসবেন । বাস এটুকু করলেই হবে ।


ক্রিয়ার ফায়দা - 


এই ক্রিয়া দ্বারা বহুবিধ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় , তবে সবথেকে বেশি এই ক্রিয়া টি কার্যকরি যে কোনো ব্যাক্তির রোগ বা উপুরী বাধা ইত্যাদি দূর করতে , এছাড়া বাড়ীর উপর কোনো নেগেটিভ এনার্জি এর প্রভাব থাকলেও উক্ত ক্রিয়া দ্বারা দূর হয় , যাদের কোনো উপুরী বাধা নেই তারা যদি khetrpal এর উদ্দেশ্যে এই ক্রিয়া করেন তবে আগামী দীনে রক্ষা পাবেন ।


কেনো পাবেন সেটা আগের ক্ষেত্রপাল সম্পর্কিত আমার আর্টিকেল টা পড়লে বুঝতে পারবেন ।



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)