বিনা অপরাধে বিনা কারণে বা সামান্য কিছু কারণে অহঙ্কারের বশবর্তী হয়ে যদি কেউ আপনার ক্ষতি করে তাহলে সে আসলে নিজের ই ক্ষতি করছে , এটা আমি বলি নাই যুগে যুগে সাধু সন্ত রা বলে এসেছেন । যারা প্রকৃত সাধক বা যারা মা কে বা প্রভু কে প্রকৃত ভালোবাসেন তারা তো কোনো এসব ক্রিয়া কর্মের ধরে কাছেও যাবেন না । আর এটা বলার প্রয়োজন নাই আপনারা অনেক সাধকের জীবনী তেই পরে দেখেছেন এবিষয়
এখন ব্যাপার হলো যদি আমদের উপর কেউ কিছু ক্ষতি করে থাকে তাহলে আমাদের কি করণীয়
A. যাদের গুরু আছে তারা --
1. গুরু এর স্মরণাপনন হবেন , চায়ে বৈষ্ণব গুরু হোক বা তান্ত্রিক বা অঘরি গুরু গুরু ই হয় গুরুর একটা বাক্য ও আশীর্বাদ ই যথেষ্ট , ঈশ্বর স্বয়ং আপনার রক্ষা করবেন ।
2. কোনো জটিল তান্ত্রিক ক্রিয়ার জটিলতা এ হটাৎ করে না গিয়ে শুধু গুরু মন্ত্র ও ইষ্ট মন্ত্র অধিক অধিক জপ করুন
3. গুরু ও ইষ্ট এর ধ্যান 3 সন্ধ্যা বা যখনই সমস্যা হবে যে সমস্যা হবে তাতে করতে থাকুন ।
4. গুরুর ও ইষ্ট এর সাথে কথা বলুন রোজ প্রার্থনা করুন , গুরু যদি নির্বাণ প্রাপ্ত হয়ে থাকেন তবুও মন থেকে কথা বলুন গুরুর শক্তি সূক্ষ রূপে সর্বদা এযোগতে বিরাজমান থাকে
5. ভয় একদম পাবেন না , ভগবান/ভগবতী যা চাইবে হবে সেটাই চায়ে যে যতই ক্ষতি করুক না কেনো
6. দীক্ষা শিক্ষা সঠিক ভাবে নেওয়ায় হয়ে থাকলে বিভিন্ন তন্ত্র বাধা কাটান, বান কাটান , দোষ খন্ডন , তন্ত্র পালট ক্রিয়া দিয়ে সমাধান করতে পারেন
7. শুধু দীক্ষা হয়ে থাকলে সামান্য কমক্ষ্যা তন্ত্র এর মন্ত্র দ্বারা বা সহজ শবর মন্ত্র দ্বারা যার কোনো সাইড এফেক্ট নেই তার দ্বারা ও করতে পারেন ।
অপভাসা কমাখ্যা তন্ত্র এর একটি মন্ত্র এখানে বলা হচ্ছে (কোনো সাইড এফেক্ট নেই)
বিধি নিয়ম বলব না বললেই কপি হয়ে যাবে মুহূর্তে, আগামী দিনে আমার ব্লগ এ দেবো পুরোটার লিংক আমার প্রফাইল এই পাবেন গ্রুপে নয় -
মন্ত্র - আদ্যা শক্তি মহামায়া তুমি আমার মা
তুমি থাকতে আমার অঙ্গে যে করিবে যাদু টোনা ঘা
উল্টা বানে তাহার বুক কুড়ে খা শিগ্রী যা শিগ্রী খা
হোক সিদ্ধি গুরুর পা , কামরূপ কামাখ্যা মা,
হারির ঝি চান্ডির আজ্ঞ্যা ওস্তাদের পা ,যা শিগ্রী যা ।
এবার যাদের গুরু নাই তাদের কথা বলি
তারা কি করবে বাঁচতে ? তন্ত্র বাধা দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত না হতে কি ভাবে প্রার্থনা করবেন বলে দিচ্ছি -
বৈষ্ণব - আমি পরমাত্মা পরব্রহ্ম স্বরুপ শ্রী রাধা কৃষ্ণের চরনের স্মরণাপনন হচ্ছি , যাকে ভাগবত এ সমস্ত জগতের স্রষ্টা ও সর্ব কারণের মূল কারণ বলা হয়েছে সেই শ্রী কৃষ্ণ রুপী ব্রহ্ম কে প্রণাম করি , হে প্রভু যাবতকাল আমি তোমার চরণের সেবা ও তোমার দাস হবার চেষ্টা e তোমাকে ভজন সাধন করি তাবৎ কাল তুমি আমাকে আমার পরিবার কে বৃহৎ থেকে বৃহৎ তন্ত্র বাধা ও ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করো । জয় রাধে জয় রাধে জয় রাধে ।
শৈব - হে মহাকাল তুমি সর্ব কালের ও কাল তোমার এই জগতে যে আমার হতে চায় কাল তোমার বলে তুমি তার করা যাদু টোনা করো সব বিফল , তার ক্রিয়া বিফল করে আমাকে আমার পরিবার কে রক্ষা করো । এটা শিব আবাহন মন্ত্রের পরে করলে আরো ভালো ফল পাবেন ।
মা এর ভক্ত রা - আদ্যা শক্তি মহামায়া তুমি যোগমায়া তুমি পরামা প্রকৃতি তুমি বিষ্ণুর যোগ নিদ্রা সৃষ্টি করিনি শক্তি তোমার মায়া থেকে কেউ নিস্তার পায় না কখনই , হে মাতা তুমি যে আমার ক্ষতি করতে চায় তার মস্তকে মায়া রূপে প্রবেশ কর , শীঘ্রই করো এবং তার আমার প্রতি তার রাগ ক্রোধ হিংসা লোভ শান্ত করে তার থেকে আমার পরিবার ও আমাকে সদা সর্বদা রক্ষা করে আমাকে সন্তান রূপে প্রতিপালন কর । যারা অদ্যা স্তত্রম করেন তারা পাঠের পর এটা রোজ করে দেখতে পারেন পজিটিভ পরিবর্তন দেখতে পাবেন ই
খুবই পাতি আর সাধারণ লাগছে না , মনে হচ্ছে কি যা তa আবাল ছবাল লিখছে এসব দিয়ে আবার তন্ত্র থেকে রেহাই পাওয়া যায় নাকি কোনো না নরসিংহ মন্ত্র না কোনো বান কাটান মন্ত্র না এ দিয়ে কি হবে ??
আসলে আপনি যদি অলরেডী ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকেন তাইলে এতে ২ দিনেই চমতকার হবে না ঠিকই কিন্তু যদি হতে চলেছেন বা ভয় আছে আগামী দীনে হতে পারে তবে এর দ্বারা আপনি অবশ্যয় রেহাই পাবেন এর কারণ হলো -
উপরে বর্ণিত 3 টি প্রার্থনা শুধু প্রার্থনা নয় এটি সেলফ সারেন্ডার বা ইষ্ট এর কাছে নিজের আত্ম সমর্পন এই জগতের স্রষ্টা এর কাছে নিজেকে সপে দেওয়া সকল চায়ে যে যত উগ্র বা উচ্চ সাধনা করুক না কেনো সকলে কেই নিজেকে সমর্পণ করতে হয় । আমরাও করি আমার গুর তার গুরু এমন কি সিদ্ধ সাধকেরাও নিজেকে সমর্পন করেই অনেক বড় থেকে বড় বিপদ এমনকি কালের গণ্ডি পেরিয়ে গেছেন ।


